রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিজস্ব হ্যাঙ্গারে উড়োজাহাজ ছোট খাটো মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করতো অনেক আগে থেকেই। ধীরে ধীরে সক্ষমতা বাড়িয়ে উড়োজাহাজের এ চেক ও সি চেক করা শুরু করে। তবে এবার প্রথমবারের মতো ডি চেক সম্পন্ন করেছে বিমান।
বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের একটি উড়োজাহাজের ৬০০টি টাস্ক ও ১১টি মোডিফিকেশন নিজস্ব হ্যাঙ্গারে নিজস্ব জনবল দিয়েই সম্পন্ন করেছে তারা। তাতে কমপক্ষে ১৮ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে এয়ারলাইন্সটির।
বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রথমবারের মতো ডি চেক সম্পন্ন করা ফ্লাইটটি ঘুরে দেখেন বিমানের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এরপর মুখোমুখি হন গণমাধ্যমে। চেয়ারম্যান জানান, এখন থেকে শুধু নিজস্ব উড়োজাহাজ নয়। অন্য এয়ারলাইন্সের ডি চেকও করবে বিমান। তাতে রাজস্ব আয়র খাত বাড়বে আরেকটি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী বলেন, 'দেশের বাইরে থেকে এয়ারক্রাফট আসলে অবশ্যই সেটা করতে পারবো। এটা লুকোচুরির কিছু নেই, সেজন্যই আজকের অনুষ্ঠান করা। এটা বিমানের আরেকটা রাজস্ব আদায়ের খাত মনে করি।'
এসময় বিমানকে দু'ভাগ করা নিয়ে সংস্কার কমিটির প্রস্তাবের সঙ্গে চেয়ারম্যান একমত কিনা জানতে চাওয়া হয়। সংস্কার কমিটির প্রস্তাবকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে বিমানের চেয়ারম্যান জানান, বিমান নিয়ে যা বলা হয় তার থেকে মাঠের অবস্থা ভিন্ন। গ্রাউন্ড হ্যাংন্ডলিংয়েও উন্নতি করছে বিমান, দাবি চেয়ারম্যানের।
আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী বলেন, 'আমি মনে করি এটার কোনো যৌক্তিকতা নেই। প্রথম কথা হচ্ছে বিমানের কোনো অসুবিধা নেই। বিমানের রেভিনিউ বাড়ছে। গতমাসে আমরা ৯৭০ কোটি টাকা গ্রস রেভিনিউ আয় করেছি যা বিমানের সর্বোচ্চ। এর আগে কোনোদিন হয়নি।'