চুক্তি
অর্থনীতি

চীনে সফরে বাংলাদেশের অবকাঠামো, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তি খাতে অগ্রগতির আশা

বিমানবন্দরে লালগালিচা সংবর্ধনা

চারদিনের দ্বিপক্ষীয় সফরে চীনের বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। সফরে ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে বৈঠক এবং চীন প্রেসিডেন্টের সাথে আলোচনায় বাংলাদেশের অবকাঠামো, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তি খাতে বেশ কিছু অগ্রগতির আশা করছে বাংলাদেশ।

বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এই রাষ্ট্রে আওয়ামী লীগ সরকারের টানা চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্ব নেয়ার পর এটি প্রথম সফর। গেল মাসেই আরেক প্রতিবেশি বন্ধু রাষ্ট্র ভারত সফরের কয়েকদিনের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর। যা ভূরাজনৈতিক অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্ব বহন করছে।

সফরকে ঘিরে চীনে অবস্থিত বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, দু’দেশের অংশীদারিত্বের এক সফর ব্যবসায়ে গতি আনবে। যে সকল বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে তাও বহুলাংশে কমে যাবে।

চীনে অবস্থিত বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদেরে একজন বলেন, 'যেহেতু চায়না গুয়াংডং প্রদেশের বিজনেস দিয়ে উঠছে। চায়নাতে আমরা বাংলাদেশি এখানে বেশি। সেক্ষেত্রে এখানে একটি কনসাল জেনারেল খোলা উচিত।'

বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

তিনি বলেন, 'আমাদের অনেকগুলো চায়না কোম্পানির সাথে কথা হয়েছে তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।' 

এদিকে স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণে জ্বালানি খাতের নিরাপত্তার জন্য চীন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার বলে জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

তিনি বলেন, 'পিজিসিবিতে প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলারে কাজ চলতেছে। এসপিএম প্রজেক্ট এইটা চায়নার জি টু জি প্রজেক্ট এটার ঘোষণা হবে। চায়নার পাওয়ার প্লান্টের ঘোষণা হবে।' 

সফরের দ্বিতীয় দিনে ব্যবসায়িক নেতাদের সাথে বৈঠক এবং চীন প্রেসিডেন্টের সাথে আলোচনায় বাংলাদেশের অবকাঠামো, অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তি খাতে বেশ কিছু ঘোষণার কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, 'দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে ইতিমধ্যে যোগসূত্র স্থাপিত হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের ব্যবসার পরিধি বাড়বে। আমাদের এই সফরের লক্ষ্য হচ্ছে চায়নার সাথে বিজনেস গ্যাপ রয়েছে তা দূর করা।'

এর আগে বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইটে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে চীনের ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় চীনের ভাইস মিনিস্টার তাকে স্বাগত জানান। সে সময় চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতও উপস্থিত ছিলেন।

ইএ

এই সম্পর্কিত অন্যান্য খবর