Recent event

বিশ্ববাজারে অস্থিরতা: স্বর্ণের বার-কয়েন কেনায় আগ্রহ বেড়েছে মানুষের

অস্থির বিশ্ববাজারে স্বর্ণে ঝুঁকছেন মিশরবাসী
অস্থির বিশ্ববাজারে স্বর্ণে ঝুঁকছেন মিশরবাসী | ছবি: এখন টিভি
0

নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে মিশরে স্বর্ণের বার ও কয়েন কেনায় আগ্রহ বেড়েছে মানুষের। অস্থির বিশ্ববাজারে অর্থকে সুরক্ষিত করতে সোনালী এ ধাতুর বিনিয়োগেই এখন আস্থা। অন্যান্য খরচ কম থাকায় জুয়েলারির চেয়ে বার ও কয়েন কিনেই লাভবান হচ্ছেন তারা।

মিশরের মানুষের সঙ্গে স্বর্ণের সম্পর্ক বহু যুগের। মিশরের সংস্কৃতি, ঐতিহ্যে এর অবদান বেশ গুরুত্বপূর্ণ। গত ১২ বছরের মধ্যে ২০২৫ সালে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে স্বর্ণের দাম। আর তাই দেশটিতে বিনিয়োগের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে স্বর্ণ। দেশটিতে ২০২৫ সালে স্বর্ণের বার এবং কয়েনের চাহিদা বেড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ।

বিশ্বব্যাপী যখন অর্থনৈতিক মন্দা এবং বাজারে অস্থিরতা তখন স্বর্ণে বিনিয়োগেই সবচেয়ে নিরাপদ বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা বলেন, আমরা প্রায়ই গোল্ডবার কিনি। কারণ জুয়েলারির চেয়ে বার কেনা বেশি লাভজনক। কারণ জুয়েলারির মতো এর মেকিং চার্জ ও অন্যান্য খরচ নেই।

এ বছর জানুয়ারিতে প্রথমবারের মতো আউন্সপ্রতি পাঁচ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যায় স্বর্ণের দাম। বর্তমানে কিছুটা কমলেও ডলারের দাম কমে যাওয়া ও বিশ্ব অর্থনীতি ও রাজনীতিতে অস্থিরতা বাড়তে থাকায় ব্যবসায়ীদের আস্থা বেড়েছে মূল্যবান ধাতুতে।

আরও পড়ুন:

স্বর্ণ ব্যবসায়ী হানি মিলাদ বলেন, ‘গত ৫০ বছরে স্বর্ণের দামের এমন উত্থান আগে কখনো দেখিনি। মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক কারণে মানুষ অর্থকে সুরক্ষিত করতে চায়। এক্ষেত্রে স্বর্ণ কেনাই সবচেয়ে নিরাপদ।’

মিশর জুয়েলারি ও মূল্যবান ধাতু শিল্প এবং খনি বিভাগের সিইও ইহাব ওয়াসেফ বলেন, ‘অর্থ সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে বরাবরই অনিশ্চয়তা থাকে। তাই সাধারণ জনগণ স্বর্ণের বার ও কয়েন কেনার প্রতি বেশি আগ্রহী। যার কারণে গহনা বিক্রিও বেড়েছে। দাম বাড়ায় বিনিয়োগের জন্য স্বর্ণকেই বেছে নিচ্ছেন একটি বড় অংশ।’

তবে গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারের তথ্য প্রকাশের পর স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে। ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কিছুটা কমে যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনার কারণে মানুষ এখনো স্বর্ণ কিনতে আগ্রহী। সাধারণত ব্যাংকে সুদের হার কম থাকলেও মানুষ স্বর্ণ বেশি কেনে।

জেআর