পুঁজিবাজার থেকে ১,৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহে লঙ্কাবাংলা-ওয়ান ব্যাংকের সঙ্গে সিটি গ্রুপের চুক্তি

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান | ছবি: এখন টিভি
0

বর্তমান ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও চলতি মূলধনের প্রয়োজন মেটাতে পুঁজিবাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী সিটি গ্রুপ। এ লক্ষ্যে লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট ও ওয়ান ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ (বুধবার, ১২ আগস্ট) গুলশানে সিটি গ্রুপের করপোরেট কার্যালয়ে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থ সংগ্রহের ক্ষেত্রে আইপিওর পাশাপাশি প্রাইভেট ইক্যুইটি, প্রেফারেন্স শেয়ার, করপোরেট বন্ড ও সুকুকসহ অনুমোদিত বিভিন্ন পদ্ধতি বিবেচনা করছে সিটি গ্রুপ।

এ প্রক্রিয়ায় লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট পিএলসিকে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আর প্রস্তাবিত লেনদেনে প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা দিতে ওয়ান ব্যাংক পিএলসি ব্যাংকিং পার্টনার ও ব্যাংকার টু দ্য ইস্যু হিসেবে কাজ করবে।

প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন এবং বাজার পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সিটি গ্রুপ।

চুক্তি স্বাক্ষর আয়োজনে চলমান সংকটে পুঁজিবাজার সিটি গ্রুপের জন্য সহায়ক হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হাসান।

ওয়ান ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান বলেন, ‘সিটি গ্রুপের অনেকগুলা প্রতিষ্ঠান আছে; যেখানে আইপিও, বন্ড এবং বিভিন্ন ধরনের ইন্সট্রুমেন্টের ওপরে আমরা কাজ করবো। প্রাইভেট ইকুইটি, বাইরের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার— কী ধরনের কী কী সলিউশন করা যায়, যেখানে আমরা ক্যাপিটাল মার্কেটকে ভাইব্রেন্ট করতে পারি।’

লঙ্কাবাংলা ইনভেস্টমেন্ট পিএলসির পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘সিটি গ্রুপের ভবিষ্যৎ ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্রাকচার যে আমরা করবো, সেখানে ক্যাপিটাল মার্কেটের সম্পৃক্ততাকে আমরা খুবই গুরুত্ব দিচ্ছি। কারণ আমরা ইকুইটির মাধ্যমে জনগণের সম্পৃক্ততা যদি আসে, এই গ্রুপের প্রতি পাবলিকের আস্থা বাড়বে।’

সিটি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ হাসান বলেন, ‘আমরা যদি বাংলাদেশের ফাইন্যান্সিয়াল মার্কেটটা দেখি, তাহলে দেখতে পাব, আমাদের দেশে আসলে উদ্যোক্তারা বেশিরভাগই কমার্শিয়াল ব্যাংকগুলোর ওপর ডিপেন্ডেন্ট। আমি মনে করি, এর প্রধান একটা কারণ হচ্ছে যে ক্যাপিটাল মার্কেটে একটা আস্থার অভাব ছিল। আমরাও এর ব্যতিক্রম ছিলাম না। প্রধানমন্ত্রী ক্যাপিটাল মার্কেটকে আরও চাঙা করার জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছেন। আশা করি যে, ক্যাপিটাল মার্কেট আরও চাঙা হবে। আমাদের চলমান যে সংকটটা আছে, আমরা মনে করি যে ক্যাপিটাল মার্কেট আমাদের জন্য একটা সলিউশন হতে পারে।’

এসএস