প্ল্যান্টের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গতকাল রাতে আনুমানিক দশটার দিকে এ ত্রুটি ধরা পড়ে, এবং তখনই ইউনিটটি বন্ধ করে দেয়া হয়।
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে বর্তমানে এই উৎপাদন বন্ধ থাকায় বিদ্যুৎ সরবরা জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে না।
আরও পড়ুন:
প্ল্যান্টের প্রধান প্রকৌশলী জানান, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে মোট তিনটি ইউনিটের মধ্যে একটি ১ম ইউনিট ২০২০ সাল থেকেই বন্ধ রয়েছে, এবং অপর ইউনিট (৩য় ইউনিট) ২৭৫ মেগাওয়াটের প্ল্যান্টটি বর্তমানে ওভারহাউলিংয়ে রয়েছে, যা আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে পুনরায় উৎপাদনে যাবে।
প্রকৌশলী আরও জানান, গতকাল কল মিলে কয়লা ও পাথরের মতো কিছু বস্তু গোলমিল হয়ে ঢুকে পড়ায় কোল প্রাসার বা কোল মিলটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার কারণে প্ল্যান্টটি বন্ধ হয়ে গেছে। তবে ইঞ্জিনিয়াররা কাজ করছেন, এবং আশা করা হচ্ছে আগামী ৩থেকে ৪ দিনের মধ্যে প্ল্যান্টটি পুনরায় চালু হবে।





