বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর ঘোষণা মোতাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এনসিটির চুক্তি হবে না বলে ঘোষণা দেয়ায় নির্বাচন ও রোজার পণ্য খালাসের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন আন্দোলনকারী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, গ্রেপ্তার, শাস্তিমূলক বদলি, বাসা বরাদ্দ বাতিলসহ ১৬ কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্তের যে পদক্ষেপ নিয়েছে এসব বিষয়ে সুরাহা না হলে আবার নতুন করে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
আরও পড়ুন:
এর আগে লাগাতার কর্মবিরতিতে অচল হয়ে পড়ে চট্টগ্রাম বন্দর। এনসিটির ইজাররা প্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে গত শনিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করে শ্রমিক কর্মচারীরা। এতে দেশের প্রধান এই সমুদ্র বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। ধর্মঘট প্রত্যাহার করায় স্বস্তি ফিরেছে বন্দর ব্যবহারকারীদের মাঝে। সকাল ৮টার পর আবারো স্থবিরতা কাটিয়ে কর্মমুখর হয়ে উঠেছে দেশের প্রধান এই সমুদ্র বন্দর। তবে সাত দিন কাজ বন্ধ থাকার ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।





