ফগার মেশিন হাতে মশক নিধন কর্মীদের ছুটে চলা। বরিশাল সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকার ঝোপ ও বদ্ধ নালায় করা হচ্ছে হ্যান্ড স্প্রে। তবুও স্বস্তি নেই নগরবাসীর মাঝে। মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন।
স্থানীয়রা বলছেন, আগে নভেম্বর-ডিসেম্বরে মশার উপদ্রব বেশি হলেও এবার মার্চেও স্বস্তি নেই। শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঝোপ-ঝাড়, জঙ্গল, ড্রেনের বদ্ধ পানিতে জন্ম নিচ্ছে অসংখ্য মশা। সন্ধ্যার পর মশার দাপট বেড়ে যায় কয়েকগুণ।
সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, মশা নিধনে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে কর্মীরা। আগের চেয়েও সিটি করপোরেশন অনেক বেশি তৎপর বলে জানান প্রশাসক।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২০২২ – ২৩ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মশক নিধনে কীটনাশক ক্রয় বাজেট ছিল দেড় কোটি টাকা। ২০২৩ – ২৪ অর্থ বছরে এই বাজেট বেড়ে দাঁড়িয়েছিলো ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। হিসেব বলছে প্রতি বছর এই খাতে বাজেট ও ব্যয় বেড়েছে। তবে মশার কমার পরিবর্তে বেড়েছে মশার উপদ্রবও। এর সমাধান আশা করেন নগরবাসী।
চিকিৎসা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মশার উপদ্রবের কারণে প্রতিনিয়ত বাড়ছে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা। জেনেটিক্যাল পরিবর্তনের কারণে পরিবর্তন আসছে ডেঙ্গুর মতো ভয়াবহ রোগের ধরনেও। আর মশা দমনে গবেষণার প্রয়োজন বলছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
২০২৪ সালে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৭৭৩ জন। আর এই সময়ে মারা গেছেন ৬৪ জন। আর চলতি বছরের প্রথম দু'মাসে ভর্তি হন ২৭৮ জন। ছাড়পত্র পেয়ে ফিরেছেন ২৬৯ জন।