বরগুনার চরাঞ্চলে আগাম তরমুজ চাষে সম্ভাবনা

কৃষি
এখন জনপদে
0

বরগুনার চরাঞ্চলে শুরু হয়েছে আগাম তরমুজের চাষাবাদ। অনেক খেতে ফল ও ফুল আসতে শুরু করেছে। এতে খুশি উপকূলের চাষিরা। এদিকে, কৃষি বিভাগ ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তরমুজ চাষে আধুনিক পদ্ধতি নিলে কমবে ক্ষতির শঙ্কা।

বিশখালীর বুকে জেগে ওঠা স্নিগ্ধ ও উর্বর বরগুনার মাঝের চর। এসব চরকে কেন্দ্র করেই উপকূলীয় কৃষি উৎপাদনের উঁকি দিচ্ছে নতুন সম্ভাবনা।

মাঝের চরের কৃষক ছগির দফাদার। ১ একর জমিতে চাষ করেছেন আগাম জাতের তরমুজের। ভালো ফলন হলে ৩-৪ লাখ টাকা আয়ের আশা তার।

শুধু মাঝের চরেই নয়, প্রমত্ত পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর বিধৌত চরেও আবাদ হচ্ছে সুমিষ্ট রসালো ফল তরমুজের। আবার, অনেকেই ঝুঁকছেন মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষাবাদে। বিশেষজ্ঞরাও জানান, তরমুজ চাষে আধুনিক পদ্ধতি নিলে মিলবে সুফল।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘যেখানে তরমুজের সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে আমরা সরজান পদ্ধতিতে প্রয়োগ করতে পারি এবং নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে ভালো তরমুজ উৎপাদন করা সম্ভব এতে কৃষকরা ভালো দাম পাবে।’

তরমুজ চাষাবাদে সম্ভাবনা থাকলেও জেলার ৭০ ভাগ কৃষকই কৃষি বিভাগের পরামর্শ না নিয়ে অভিজ্ঞতার আলোকে চাষাবাদ করেন তরমুজ। এতে, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল নষ্টের পাশাপাশি বাড়ে ক্ষতির মাত্রা। এদিকে, কৃষকের সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য কৃষি বিভাগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আবু সৈয়দ মো. জোবায়েদুল আলম বলেন, ‘আমরা সাধারণত যে ধরনের জমিতে তরমুজ চাষের জন্য উপযোগী সেখানে চাষাবাদ করার পরামর্শ দিয়ে থাকি। এছাড়া আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতিতে যেন তারা মাঠে প্রয়োগ করে সে বিষয়েও আমরা তাদেরকে পরামর্শ দিয়ে থাকি। কৃষি অধিদপ্তর কৃষকদের জন্য সব সময় খোলা।’

এএম