নিহত আউয়াল শফী উপজেলার বোয়ালী গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে নলুয়া-বাসাইল সড়কের বাছেত খান উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে আউয়াল শফীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন পথচারীরা। এসময় তার মাথার মগজের কয়েকটি অংশ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় সড়কে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও পাশে পড়েছিল। পুলিশের ধারণা, অজ্ঞাত কোনো যানবাহনের চাপায় তিনি নিহত হয়েছেন এবং চালক দ্রুত পালিয়ে গেছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে নিহতের চাচাতো ভাই জিয়া হাবিব ও মাওলানা ফরিদ উদ্দিনসহ কয়েকজন পথচারী দাবি করেন, মরদেহের গলা ও মাথার অবস্থা দেখে ঘটনাটি সাধারণ দুর্ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। তাদের ধারণা, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তারা পুলিশের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।
সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের মাথার মগজের তিনটি অংশ তিন জায়গা থেকে কুড়িয়ে একত্র করেছি। দ্রুতগতির কোনো যানবাহনের আঘাতে এরকম হয়ে থাকতে পারে। তাই প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে এটি দুর্ঘটনাই মনে হচ্ছে।’
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ হোসেন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’





