নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের দেয়া ‘সব কটি শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত’ কৌশলগত ওই জলপথ বন্ধই থাকবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির তুলে ধরা প্রস্তাব অনুযায়ী, ওয়াশিংটন যদি তাদের শর্তগুলো মেনে নেয়, তবে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়া হবে। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করা, ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, অবরুদ্ধ সম্পদ ছাড় দেয়া এবং ইরানি তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া।
এর আগে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আশা প্রকাশ করেছিলেন যে, আগামী ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে।
তবে রয়টার্সকে ওই কর্মকর্তা জানান, নিজেদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা কিংবা দেশে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানোর মতো মার্কিন দাবিতে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি ইতিমধ্যে এক নির্দেশনায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দেশটির উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনো অবস্থাতেই বিদেশে পাঠানো যাবে না।





