সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার বিষয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ইথিওপিয়ার সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল বিরহানু জুলা অভিযোগ করেন, টাইগ্রে ফ্রন্টের উসকানির জবাব সেনাবাহিনী সতর্কতার সঙ্গে দিচ্ছে। একই সঙ্গে ইথিওপিয়াকে দুর্বল করতে প্রতিবেশী ইরিত্রিয়া বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অর্থ ও সহায়তা দিচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন। তবে লোহিত সাগরে চলাচলের পথ পেতে ল্যান্ডলকড ইথিওপিয়া হামলা চালাতে পারে বলে শঙ্কা থাকা ইরিত্রিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে সাতটি সশস্ত্র গোষ্ঠী একটি জোট গঠনের পর সংঘাত টাইগ্রে অঞ্চল থেকে প্রতিবেশী আফার ও আমহারা অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। আফার অঞ্চলের আবলা এলাকায় লড়ছে দুই পক্ষ।
আমহারার উত্তর ওলো অঞ্চলে টাইগ্রে পিপলস লিবারেশন ফ্রন্টের (টিপিএলএফ) বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযানে ২৭২ জন যোদ্ধা নিহত হওয়ার দাবি করেছে ইথিওপীয় সেনাবাহিনী। অন্যদিকে টিপিএলএফের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকারি বাহিনী ড্রোন, পদাতিক ও সাঁজোয়া ইউনিট নিয়ে ‘পূর্ণাঙ্গ হামলা’ শুরু করেছে। টিপিএলএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবদিসালাম বালেমা পরিস্থিতিকে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
নতুন করে শুরু হওয়া এই সংঘাতের ফলে ২০২২ সালের প্রিটোরিয়া চুক্তি চরম হুমকির মুখে পড়েছে, যা টাইগ্রেতে দুই বছরের রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছিল। শুক্রবার ইথিওপিয়ার উত্তরজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। সেখানে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ড্রোন ব্যবহারের খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।





