গত সোমবার (২৯ জুলাই) রাতে বিশ্বকাপে ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ শেষে আদাবরে আনন্দ মিছিলকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি নেতা আবুল বাশারের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। পরদিন এই ঘটনা নিয়ে নবোদয় হাউজিংয়ে সালিশী বৈঠকে বাশারসহ দু’জনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে দুর্বৃত্তরা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাশারের মৃত্যু হয়। আর আহত সাদ্দাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত রিপনসহ চারজনকে ময়মনসিংহ থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে রিপনের দেয়া তথ্যে হত্যায় ব্যবহৃত সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়। পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা পুলিশের।
ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানাধীন সাহেবনগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এতে সঙ্গে আরও অন্যান্য আসামি জড়িত ছিল, তাদের গ্রেপ্তার এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
আরও পড়ুন:
বড় স্ক্রিনে বিশ্বকাপে খেলা দেখাকে ঘিরে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নজরদারি বাড়ানোর কথা জানান এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বড় বড় স্ক্রিনে দেখা হয়, এটা আমরা ইয়ে করতেছি এবং এটা আমাদের থানা থেকে বলা হয়েছে যে কোথায় কোথায় এরকম স্ক্রিন টানায়, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে। তারাও লোক রাখবে, আমরাও লোক রাখব যেরকম ওরকম কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।’
এদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জামায়াতে ইসলামীর প্রয়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষের সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে গুমের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। তৎকালীন এএসপি ফজলুর রহমান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সুখরঞ্জন বালী। সে কিডন্যাপের সঙ্গে সে সরাসরি জড়িত ছিল—এই তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আমাদেরকে রিকুইজিশন দিলে আমরা তাকে রাত্রে ১০টার দিকে তার নিজ ভবন বাড্ডা থেকে নিয়ে এসে আমরা রিকুইজিশন বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে তাকে হস্তান্তর করেছি।’
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে গ্রেপ্তার সাবেক পুলিশ কর্মকর্তাকে শুক্রবার কারাগারে পাঠায় আদালত।




