এর আগে বুধবার দুপুরে জেলার কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়নের শিমুলতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন মিয়া ওই এলাকার আমজদ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দলপা ইউনিয়নের দলপা শিমূলতলা গ্রামের মিলন মিয়ার কাছে ধারকর্য বাবদ ৫০০ টাকা পাওনা ছিলো একই এলাকার মমিন মিয়ার ছেলে ইমন মিয়ার। সকালে ইমন এই টাকা চাওয়ায় দু’জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। পরবর্তীতে দুপুরে মিলন মিয়া বাড়ির সামনে খড় শুকানোর কাজ করে বসত বাড়ির সামনে আসেন।
আরও পড়ুন:
এসময় ইমন মিয়া ও তার মা হাবিয়া আক্তার সকালের পাওনা টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়ার জেরে মিলন মিয়ান বাড়িতে আসেন। এক পর্যায়ে ইমনের হাতে থাকা তরকারি কাটার দা দিয়ে মিলন মিয়ার গলা বরাবর কুপ দেয়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত রক্তাক্ত মিলন মিয়াকে উদ্ধার করে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে নিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে স্থানীয়রা ইমন ও তার মাকে গাছে বেঁধে রাখে। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। এরপর আটক মা ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দেন এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে নেত্রকোণার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার সংবাদ পেয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী মাকসুদের নেতৃত্বে অফিসার ও ফোর্স ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন কর্তৃক আটককৃত অভিযুক্ত ইমন মিয়া (২০) ও হাবিয়া আক্তারকে (৪৫) গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যান।’
পরবর্তীতে অভিযুক্ত ইমন মিয়ার স্বীকারোক্তি মূলে হত্যায় ব্যাবহার করা দেশিয় অস্ত্র (তরকারী কাটার দা) উদ্ধারপূর্বক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। এ ঘটনায় গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে।




