গ্রেপ্তাররা হলেন— শামীম মিয়া (৪০), মো. আব্দুল করিম (৩৫), মো. রুবেল (৩২), মো. মামুন (৩৮), মো. খালেদ (৪৪), মো. আবুল (৪২) ও মো. মানিক হোসেন (৪০)। তাদের সবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বগাঁও এলাকায়।
র্যাব সূত্র জানায়, গত ৫ মে ভোররাতে রূপগঞ্জ থানাধীন কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের চালপাড়া এলাকায় একটি মামলার আসামি শাহীন মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় শীর্ষ সন্ত্রাসী শামীম ও করিমের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা সরকারি গাড়ি ভাঙচুর করে এবং পুলিশের হেফাজত থেকে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়। হামলায় কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।
ঘটনার পর রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হলে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যায়। পরে তারা পর্যটক বেশে কক্সবাজারের কলাতলী, সুগন্ধা ও হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় অবস্থান করছে— এমন তথ্যের ভিত্তিতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে।
এরপর র্যাব-১৫ ও র্যাব-১ এর যৌথ আভিযানিক দল কক্সবাজারের বিভিন্ন হোটেলে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ওই ৭ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার শামীম মিয়া একজন তালিকাভুক্ত দুর্ধর্ষ অপরাধী। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক ও পুলিশের ওপর হামলাসহ ১০টি মামলা রয়েছে। এছাড়া আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে ৫টি এবং রুবেলের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তারদের পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।





