নিহত নাছিমা বেগম ওই বাড়ির দুবাই প্রবাসী আল-আমীন মিয়ার স্ত্রী। তাদের আবির নামের আট বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। নাছিমা বেগম ও তার ছেলে আবির ওই ঘরে থাকতেন।
জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার খেয়ে ছেলেকে নিয়ে ঘুমিয়ে যান নাছিমা বেগম। পরে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে নাছিমা বেগমকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে এবং ছেলে আবিরকে কুপিয়ে জখম করে।
এরপর ভোরে ছেলে আবির ভোরে ঘরের বাহিরে এসে প্রতিবেশিদের ডেকে ডাক চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেয় এবং তাকে হাসপাতালে পাঠায়।
আরও পড়ুন:
আবির জানান, রাতের আধারে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে তার মাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করেন। এসময় তাকেও আঘাত করে। পরে সে মারা যাওয়ার ভান করলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এরপর সে বাহিরে এসে ডাক চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে।
প্রতিবেশি নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘ছেলেটি গুরুতর আহত অবস্থায় ছুটে এসে তার মাকে হত্যার বিষয়টি আমাদের জানায়। পরে আমরা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ফোন দিয়ে পুলিশকে বিষয়টি জানিয়ে ঘটনাস্থলে এসে ওই নারীর মরদেহ দেখতে পাই। এরপর আমরা ছেলেটিকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করি।’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন করেছেন। ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’





