গতকাল রোববার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নের পাগলশী গোয়ালপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত কান্তু মিয়া ওই গ্রামের হাজী সফির উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির সীমানা নিয়ে প্রতিবেশী আয়াত আলীর ছেলে শান্তু মিয়া ও এরশাদ মিয়ার ছেলে শামসুল মিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল কান্ত মিয়ার। এর জেরে রোববার গভীর রাতে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে কান্তু মিয়ার বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়।
অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে এবং রামদা দিয়ে কুপিয়ে কান্তু মিয়াকে গুরুতর জখম করেন। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আরও পড়ুন:
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কান্তু মিয়া বলেন, ‘অনেকদিন ধরেই তারা পেশিশক্তির জোরে আমার বাড়ির সামনের জায়গা দখল করে রেখেছে। এ নিয়ে কথা বললেই বিভিন্নভাবে হুমকি দিতো। ওই রাতে তারা বাড়িতে ঢুকে আমাকে হত্যার উদ্দেশে হামলা চালায়।’
ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, এ ঘটনায় এখনো তাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
ঘটনার পরদিন আজ (সোমবার, ৬ এপ্রিল) ইটনা থানায় একটি মামলার এজাহার দাখিল করা হয়। এ বিষয়ে ইটনা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ‘মামলার এজাহারের কপি জমা পড়েছে। এটি দ্রুত প্রস্তুত করে আদালতে পাঠানো হচ্ছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
দোষীদের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জানান, এজহারটি মামলার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। যেহেতু আঘাত মাথায়, সর্বোচ্চ ধারাতেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মামলাটি রেকর্ড হওয়ার পরপরই গ্রেপ্তারের অভিযান চালাবে পুলিশ।
তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এদিকে স্থানীয়রা দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।





