জানা যায়, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেট নামক স্থানে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজি মফিজুর রহমানের গাড়িতে এবং সাড়ে সাতটায় পৌর এলাকায় জয়নুল আবেদীন ফারুকের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটে। তবে এতে গাড়িতে থাকা প্রার্থী কাজী মফিজুর কিংবা বিএনপি প্রার্থী জয়নুল আবেদীন ফারুক দুজনের কেউই আহত হননি।
গুলিতে গাড়ির কাঁচ ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছেন কাজী মফিজুর রহমান। তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে হামলাকারী ও তাঁদের হোতাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। এদিকে ঘটনার প্রতিবাদে সেনবাগ বাজারে থানার মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে কাজী মফিজুরের কর্মী-সমর্থকেরা।
বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জয়নুল আবদীন ফারুকও হামলার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। হামলার প্রতিবাদে বিএনপি নেতাকর্মীরা সেনবাগ পৌর এলাকায় রাত আটটায় বিক্ষোভ মিছিল করে।
আরও পড়ুন:
বিদ্রোহী প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমান জানান, বিকেলে তিনি কাবিলপুর ইউনিয়নে গণসংযোগ করেন। এক পর্যায়ে মাগরিবের নামাজের সময় হলে তিনি কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেটের মসজিদে নামাজ আদায় করেন।
সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে তিনি গাড়িতে উঠে পরবর্তী কর্মসূচিস্থলে রওয়ানা হচ্ছিলেন। এরই মধ্যে আকস্মিক একদল সন্ত্রাসী তাকে লক্ষ্য করে গাড়িতে গুলি চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে তিনি এবং গাড়িতে থাকা তার লোকজন অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল বাশার বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের গাড়িতে গুলি হয়েছে কি না তা তিনি নিশ্চিত নন। তবে হামলা হয়েছে। হামলায় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
এদিকে জয়নুল আবেদীন ফারুকের গাড়িতে যে হামলা হয়েছে সেটির বিষয়ে ও পুলিশ খতিয়ে দেখছে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কাজ করছে।’





