আজ (বুধবার, ২১ জানুয়ারি) দুপুর ৩টার দিকে শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় একটি আবাসিক ভবনের নিচতলায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে জরিমানা করেন জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।
অভিযানে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে লাইসেন্স ছাড়াই এলপিজি সিলিন্ডার মজুত করে তা ফোন কলের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে আসছিলেন দণ্ডপ্রাপ্ত খান ট্রেডার্সের মালিক লিটন।
তার বাড়ির নিচতলার চারটি কক্ষ থেকে ২০৪টি খালি এবং ৩৪টি গ্যাস ভর্তি এলপিজি সিলিন্ডার জব্দ করা হয়। তবে ওই ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক পরিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স তার কাছে পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন:
এছাড়া তিনি শুধু একটি ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে আবাসিক ভবনের নিচে কোনো সাইনবোর্ড ছাড়াই এ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। এলপিজি কোথায় থেকে কেনা হয়েছে বা কী দামে বিক্রি করা হয়েছে এ সংক্রান্ত কোনো ক্রয়-বিক্রয় রশিদও তিনি দেখাতে পারেননি।
সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, ‘শুধু ট্রেড লাইসেন্স থাকলেই এলপিজির মতো দাহ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ পণ্যের ব্যবসা করা যায় না। নির্ধারিত লাইসেন্স ছাড়া আবাসিক এলাকায় এভাবে গ্যাস মজুত ও বিক্রি জননিরাপত্তার জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তাছাড়া তিনি অবৈধভাবে এলপিজি সিলিন্ডার মজুত ও সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন।’
এ ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪০ ধারায় ব্যবসায়ী লিটনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।





