আজ (রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সীতা ঘাটের পাথরঘাটা এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এরআগে দুপুর দেড়টার দিকে ওই এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে গোসলে নেমে তিনি নিখোঁজ হন। এ সময় স্রোতের টানে সানম গভীর পানিতে তলিয়ে যান। সঙ্গে থাকা বন্ধুরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও সফল হননি।
খবর পেয়ে কাপ্তাই থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। কিন্তু কর্ণফুলী নদীতে জোয়ারের স্রোতের তীব্রতা বেশি থাকায় নিখোঁজের সন্ধান করতে কিছুটা বেগ পেতে হয়।
সাজিদের পিতা মো. নাছির উদ্দিন পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত এএসপি। তিনি নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার মামুদপুর এলাকায় বসবাস করেন।
আরও পড়ুন:
সাজিদের বন্ধু সাইফুল ইসলাম জানান, তারা নয়জন সকালে সীতার পাহাড়ে ওঠেন। পাহাড় ভ্রমণ শেষে নদীতে হাত-মুখ ধোয়ার জন্য ঘাটে নামার পর মুহূর্তের মধ্যে সাজিদ পানিতে তলিয়ে যান।
পরে বিষয়টি স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হলে তারা উদ্ধার কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে কাপ্তাই থানা পুলিশ, নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।
কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘দুপুর দেড়টর দিকে আমরা ফোন দুর্ঘটনার খবর পাই। দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে ডুবুরি দল নদীতে অনুসন্ধান শুরু করে। কিন্তু কর্ণফুলী নদীতে স্রোতের তীব্রতা থাকায় নিখোঁজের সন্ধান করতে একটু সমস্যা হয়। পরে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।’
কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘নিখোঁজের খবর পেয়ে নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ শুরু করেন। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’





