হবিগঞ্জ সদর উপজেলার লস্করপুর ইউনিয়নের কালীগঞ্জ এলাকায় খোয়াই নদীর বাঁধ পরিদর্শন করেছেন তিনি। একই এলাকায় দেড় মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার বাঁধ ভাঙনের ঘটনায় পরিস্থিতি পরিদর্শনে আজ (মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট) দুপুরে তিনি সেখানে যান। পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আমরা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। প্রতিবেশী যেকোনো দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চাই। সেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে গেলে এভাবে প্লাবনে ফেলে দিয়ে এই অঞ্চলের মানুষকে বন্যাকবলিত করা যাবে না। তাহলে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও অটুট হবে।’
আরও পড়ুন:
খোয়াই নদীর কালীগঞ্জ এলাকায় দ্বিতীয়বার বাঁধ ভাঙনের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এজন্য বিশেষজ্ঞ দল নিয়ে ঘটনাস্থলে আসা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বাঁধের বর্তমান অবস্থা যাচাই-বাছাই করছেন। এখানে শুধু বাঁধ নির্মাণ যথেষ্ট হবে, নাকি সুইসগেট স্থাপন করতে হবে—তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এসময় জাতীয় সংসদের হুইপ ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জি কে গউছ আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বাঁধের প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি কাজের মান ও অগ্রগতি নিয়মিত তদারকির জন্য জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশ দেয়া হয়।
পরিদর্শনকালে হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জিএম সরফরাজসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




