জানা যায়, আজ দুপুর ১টার দিকে শহরের ছোট যমুনা নদীর ডিগ্রীর মোড় পারঘাটে নদী সাঁতরে পার হওয়ার সময় ডুবে নিখোঁজ হন ওই গৃহবধূ। নিহত গৃহবধূ সাহিদা শহরের সুলতানপুর মহল্লার আব্দুর রশিদের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি নওগাঁ সদর উপজেলার দেবীপুর গ্রামে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত গৃহবধূর ছেলে মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে। ছেলেটি বেশ কিছুদিন থেকে অসুস্থ। তিনি হঠাৎ স্বপ্নে দেখেন ছোট যমুনার নদীর তীরে লখাইজানি এলাকায় অবস্থিত মাজারে মানত করলে ছেলে সুস্থ হয়ে যাবে। এজন্য গত শনিবার বাবার বাড়ি যান।
সেখান থেকে ছোট বোনকে সঙ্গে নিয়ে নদীর তীরে মাজারে আসেন। সঙ্গে একটি মাটির ঘটিও ছিল। মানত শেষ ঘটি নদীতে ডুবিয়ে দেন। এরপর স্বপ্নে দেখা নির্দেশনা অনুযায়ী ছোট যমুনা নদীর পূর্ব পাড় থেকে পশ্চিম পাড়ে সাঁতরে পার হওয়ার চেষ্টা করেন।
এসময় পার ঘাটের মাঝি শুকুর আলি তাকে নৌকায় করে পার হতে অনুরোধ করেন। কিন্তু গৃহবধূ তার কথা না শুনে সাঁতরাতে থাকেন। এক পর্যায়ে ক্লান্ত হয়ে পানিতে তলিয়ে যান। পরে নওগাঁ ফায়ার সার্ভিসকে সংবাদ দেওয়া হলে তারা উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে রাজশাহী থেকে ডুবুরি দল এসে ডুবে যাওয় স্থান থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের চাচা আব্দুস সালাম বলেন, ‘শনিবার বিকেলে তার বাবার বাড়ি আসে। তার ছোট বোনকে সঙ্গে নিয়ে ছোট যমুনা নদীতে মানত করতে আসে আমরা বিষয়টি জানতাম না। পরে ডুবে যাওয়ার পর বাড়িতে খবর দিলে বিষয়টি জানাজানি হয়। এখন তার মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরছি।’
নওগাঁ ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার আমির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’





