আজ (শুক্রবার, ১২ জুন) বিকেল ৫টার দিকে সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গণপিটুনির এ ঘটনায় কালুর সহযোগী তৌহিদও গুরুতর আহত হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত কালু ওই এলাকার সোনা বিশ্বাসের ছেলে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় একাধিক সন্ত্রাসী ও মাদক মামলা রয়েছে। মাত্র ২-৩ দিন আগে সে জেল থেকে জামিনে বের হয়ে পুনরায় এলাকায় সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু করে। এতে বাধা দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা।
এ বিরোধের জেরে আজ শুক্রবার দুপুরে ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফাকে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে কালু ও তার সহযোগীরা।
ইউপি সদস্যের ওপর হামলার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাধারণ মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। গ্রামবাসী একজোট হয়ে সন্ত্রাসী কালু ও তার সহযোগীদের ধাওয়া করে। একপর্যায়ে পাতাকাটা গ্রামে কালু ও তার সহযোগী তৌহিদকে ঘেরাও করে গণপিটুনি দেয় উত্তেজিত জনতা। এতে ঘটনাস্থলেই কালুর মৃত্যু হয় এবং তৌহিদ মারাত্মকভাবে আহত হয়।
খবর পেয়ে সন্ধ্যায় বরগুনা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ নিহত কালুর মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহত তৌহিদকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে তৌহিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দ্রুত বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আলীম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত কালু এলাকার একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী ছিল। ইউপি সদস্যের ওপর হামলার জের ধরে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।





