এজন্য ঘর ধোয়া মোছা, মেরামতসহ চামড়ায় লবণজাত করাসহ নানা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন ব্যবসায়ীরা। তবে হঠাৎ করেই ৮৫০ টাকা বস্তার লবণ ১ হাজার ১০০ টাকা হওয়ায় চামড়ায় লবণজাত করতে অতিরিক্ত খরচ গুনতে হবে ব্যবসায়ীদের।
চামড়া ব্যবসায়ীরা জানান, দেশে চামড়ার চাহিদার অন্তত ৫০ শতাংশ পূরণ হয় এই কোরবানি ঈদে। আর ২০ থেকে ২৫ শতাংশ যোগান দেয় নাটোরের চকবৈদ্যনাতের আড়ত থেকে। তাই ব্যাপক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ট্যানারি মালিকদের কাছ থেকে বকেয়া টাকা সংগ্রহ, ঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা আর লবণ সংগ্রহ করে রেখেছেন তারা।
আরও পড়ুন:
তবে গত কোরবানির থেকে এবারের ঈদে চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা বেশি ধরেছে ব্যবসায়ীরা। এবারের কোরবানি ঈদে গরু, ছাগল সহ মোট ১০ থেকে ১২ লাখ পিস চামড়া আমদানির কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা। যা গত বছর ছিলো ৮ লাখ পিস চামড়া।
তবে লবণের অধিক দামে হতাশ ব্যবসায়ীরা। সে সঙ্গে কোরবানির পর চামড়া লবণজাত করতে দ্রুত আড়তে নিয়ে আসার তাগিদ ব্যবসায়ী নেতাদের।





