গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন চকরিয়ার হারবাং এলাকার মোজ্জামেল হক (৪৭), রামুর ধয়াপালং এলাকার মাজেদা আক্তার মমতাজ (৪৩) এবং উখিয়ার মরিচা এলাকার বুলবুল আক্তার (৩৮)।
র্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল থেকেই ওই এলাকায় তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে একটি সন্দেহভাজন সিএনজি অটোরিকশাকে থামার সংকেত দিলে চালক পালানোর চেষ্টা করে। পরে র্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে সিএনজিসহ চালক মোজ্জামেল হককে আটক করে। পরে সিএনজিতে তল্লাশি চালিয়ে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক বহনে ব্যবহৃত সিএনজিটি জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন:
এর কিছুক্ষণ পর বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে একই চেকপোস্টে আরেকটি সিএনজি তল্লাশি চালিয়ে দুই নারী যাত্রীর কাছ থেকে আরও ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। নারী র্যাব সদস্যদের সহায়তায় তাদের ব্যাগ তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ হাজার ৫০০ টাকা ও দুটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
র্যাব-১৫ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের কথা স্বীকার করেছে। তারা একটি সংঘবদ্ধ মাদক সিন্ডিকেটের সদস্য হিসেবে কাজ করছিলো বলে জানিয়েছে র্যাব।
উদ্ধারকৃত ইয়াবা, জব্দকৃত আলামত ও গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের রামু থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে র্যাব।




