জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি নিয়ামুল হক জানান, আজ (মঙ্গলবার, ৫ মে) রায়ের জন্য ধার্য তারিখ ছিল। এসময় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন।
সাজা প্রাপ্ত আসামিরা হলেন মিলন, রাহেল, দুলাল, শাহেদ, সেলিম, সাতির, জুনাব আলী, কামাল, মকরম, নকুল, খোকন, জাকারিয়া, জামাল। আসামিদের বাড়ি কুলাউড়া থানাধীন ভিন্ন ভিন্ন গ্রামে।
রায় ঘোষণার সময় তিন আসামি উপস্থিত থাকায় তাদের সাজা পরোয়ানায় হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আরও পড়ুন:
জানা যায় ২০০৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কুলাউড়ার কর্মদা গ্রামের বাসিন্দা মো. মারুফ আহমদের ঘরে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
এরপর তিনি কুলাউড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ধর্ষণ সংক্রান্ত অভিযোগের জন্য আলাদা চার্জশিটের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু আদালতে আলাদা মামলা চলমান আছে।
অতিরিক্ত পিপি বলেন, ‘এ রায় অবশ্যই একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে। ডাকাতি একটি ভয়াবহ ঘটনা যা সমাজ, পরিবার, শারিরীক, মানসিকভাবে প্রভাব ফেলে। দৃষ্টান্তমূলক সাজা প্রদান সমাজ থেকে অপরাধ নির্মূলে কাজ করতে অবশ্যই গুরুত্ববহন করে।’ রায়টি ঘোষণা করে বাদীকে ন্যায় বিচার প্রদান করায় বিচারককে ধন্যবাদও জানান তিনি।





