নিহত শাকিল দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার আংগারপাড়া গ্রামের জিয়ারুল ইসলামের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক সপ্তাহ আগে শাকিল নির্মাণ কাজ করতে সখীপুরে আসে। দেবরাজ গ্রামের একটি বাড়িতে ৬ জন সহকর্মী নিয়ে ভাড়া থাকতেন তিনি। নিহত শাকিল মাত্র চার মাস আগে বিয়ে করেছিলেন গ্রামের বাড়িতে।
শ্রমিকদের দলনেতা রাজীব জানান, বেলা সাড়ে ১২টার দিকে শাকিল ঘরের চাবি নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে দেড়টার দিকে অন্যান্য শ্রমিকরা খাবার খেতে এসে ঘরের ভেতরে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘কাজে আসার পর থেকেই পারিবারিক বিষয় নিয়ে শাকিল ও তার স্ত্রীর মধ্যে মোবাইল ফোনে প্রায়ই ঝগড়া হতো। তবে হঠাৎ করে এত বড় ঘটনা ঘটে যাবে, কল্পনাও করিনি।’
স্থানীয় ব্যবসায়ী মতিউর রহমান বকুল বলেন, ‘শ্রমিকরা কিছুদিন ধরে আমার একটি ঘরে ভাড়া থাকছিলেন। দুপুরে খবর পেয়ে এসে এ ঘটনা দেখতে পাই।’
৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘তারা ৬ জন শ্রমিকের ৫ জন আজ কাজে গেলেও, সে অসুস্থতার কথা বলে কাজে যায়নি। তার সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ধারণা করা যাচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এমন ঘটনা ঘটতে পারে।’
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’





