তিনি বলেন, প্রথমবারের মত আমরা সরকারিভাবে দেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ মাপার কাজ শুরু করেছি। গত ৪ এপ্রিল থেকে থানচি ও রুমার সীমান্তবর্তী এলাকার উঁচু পাহাড়গুলোকে ঘিরে এ জরিপ কাজ শুরু হয়। এরইমধ্যে কেওক্রাডং সাকা হাফং জোতলাংসহ ১০টি উঁচু পাহাড়ের মাপ শেষ হয়েছে। আমাদের টিম কাজ করছে আজকে আমি নিজে সেটি দেখে আসলাম। আগামী ১২ তারিখ জরিপের কাজ শেষ হবে। তারপর এখান থেকে বিচার বিশ্লেষণ করে চূড়ান্তটা বের করে অফিশিয়াল প্রসিডিউর শেষ করে আমরা ঘোষণা করবো।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি খুব চ্যালেঞ্জিং কাজ। কারণ পাহাড়ি এলাকায় যাতায়াত, যোগাযোগসহ থাকা খাওয়ারও সমস্যা রয়েছে। এ প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেই জরিপের কাজ করতে হচ্ছে। তবে সেনাবাহিনী ও বিজিবির সদস্যরা আমাদের সার্বিক সহযোগিতা করছে। তাদের সহযোগিতা ছাড়া এটা এতোটা সহজ হত না।
উল্লেখ্য বাংলাদেশের পর্বত শৃঙ্গ মাপার প্রথম জরিপের কাজ এটি। এর আগে এমন কাজ হয়নি। এ জরিপের মাধ্যমে বের হয়ে আসবে দেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ কোনটি। এর আগে ২০২২ সালে একবার মাপার কাজের উদ্যোগ নেয়া হলেও সেটি আর হয়নি। বর্তমানে দেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ রুমা উপজেলার তাজিংডং এর নাম শোনা গেলেও এটি আসলে সরকারি কোনো সংস্থার জরিপ নয়।





