গতকাল (রোববার, ৫ এপ্রিল) বিকেলে নদীর প্রবল স্রোতের তোড়ে কাকবাসিয়ার সবুর গাজীর বাড়ির পাশের বেড়িবাঁধ হঠাৎ ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই প্রায় ১০০ হাত বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙনস্থলের প্রায় ৫০ ফুট উত্তরে ও ১০০ ফুট দক্ষিণে আরও দু’টি স্থানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা তৈরি হয়েছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগ বাড়ছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, কাকবাসিয়া খেয়াঘাট সংলগ্ন এলাকায় সম্প্রতি জিওব্যাগে বালু ও মাটি ফেলে বাঁধ রক্ষার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। তবে সেই উদ্যোগ টেকসই হয়নি। কয়েকদিন আগেই বাঁধে ফাটল দেখা দেয়, যা এখন বড় ধরনের ভাঙনে রূপ নিয়েছে।
আরও পড়ুন:
খবর পেয়ে আনুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রুহুল কুদ্দুছ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
আনুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. রুহুল কুদ্দুছ জানান, ভাঙন অব্যাহত থাকায় বাঁধের বিভিন্ন অংশ ক্রমেই নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘গত বছর রোজার ঈদের দিনও একইভাবে বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে আবারও বড় ধরনের দুর্যোগের মুখে পড়তে পারে পুরো এলাকা।’
নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি রোববার আশাশুনি উপজেলায় যোগদান করেছেন।
বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তিনি।





