এর আগে গতকাল (শুক্রবার, ৩ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর টানা আড়াই ঘণ্টা মুনসুরাবাদ বাজারে সংঘর্ষ হয়। পরে রাত হয়ে যাওয়ায় পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় সংঘর্ষ বন্ধ হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুর-ভাঙ্গা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে মুনসুরাবাদ গ্রামবাসীর সঙ্গে পাশের ৩ গ্রামের লোকজন দেশিয় অস্ত্র, ঢাল নিয়ে ঢাকা খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেন। খাপুরা গ্রাম, সিংগারডাক গ্রাম ও মাঝিকান্দা গ্রামের লোকজন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হামিরদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে অবস্থান নেন।
প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী উভয়পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া চলছে। ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি থাকলেও সংঘর্ষ চরম আকার ধারণ করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, গত দুই দিন আগে মুনসুরাবাদ গ্রামের রাহাত নামের এক কিশোর ফুটবল খেলার মাইকিং করার সময় পাশের খাপুরা গ্রাম, সিংগারডাক গ্রাম ও মাঝিকান্দা গ্রামের কয়েকজন তাকে মারধর ও লাঞ্ছিত করেন।
এই ঘটনার সূত্র ধরে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর টানা আড়াই ঘণ্টা মুনসুরাবাদ বাজারে সংঘর্ষ হয়। রাত হয়ে যাওয়ায় পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় সংঘর্ষ বন্ধ হলেও আজ শনিবার সকাল থেকে আবারও সংঘর্ষে জড়ান চার গ্রামের মানুষ। সকাল দশটার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘শুক্রবার রাতে সংঘর্ষের জের ধরে শনিবার সকাল ৭টা থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করি।’
তিনি আরও জানান, ফরিদপুর জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ এসে দ্রুতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।





