অভিযানে ফিলিং স্টেশনটিতে প্রায় ১০ হাজার লিটার ডিজেল, ৪ হাজার লিটারের বেশি অকটেন এবং প্রায় ২ হাজার লিটার পেট্রোল থাকা সত্ত্বেও বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিলো। এছাড়া অকটেনের ক্যালিব্রেশন চার্ট সংরক্ষিত না থাকায় সংশ্লিষ্ট মালিককে এ জরিমানা করা হয়।
আরও পড়ুন:
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জ্বালানি তেলের মজুদ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ম্যাজিস্ট্রেট মো. সজিবুল ইসলাম শুভ জানান, জেলার বিভিন্ন স্থানে ফিলিং স্টেশনে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।





