তিনি বলেন, ‘আপনাদের সকলের প্রতি আমাদের আহ্বান-কোনো গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে যেকোনো সন্দেহজনক তথ্য নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী-বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন।’
উক্ত প্রেস বিফ্রিংয়ে তিনি জানান, মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় অবস্থিত পদ্মা, যমুনা ও মেঘনা এই ৩টি জ্বালানি তেলের ডিপোতে শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) ২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং সকল ডিপোতে সার্বক্ষণিক ১ সেকশন করে জনবল দ্বারা নিয়মিত তদারকি জারী রাখাসহ কার্যকরী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
এছাড়াও সরাইল রিজিয়নের আওতাধীন ৫টি জেলার সিলেট, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং সুনামগঞ্জ জেলার ১০টি জ্বালানি তেলের ডিপোসহ সারাদেশের মোট ৯টি জেলার মোট ১৯টি জ্বালানি তেলের ডিপোর নিরাপত্তা ও স্বতঃফূর্ত কার্যক্রম নিশ্চিতকল্পে বিজিবি প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ডিপো কর্তৃপক্ষের সাথে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এছাড়াও শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ ১১৫ কি.মি. সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি অতিরিক্ত টহল মোতায়েনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে নিয়মিত ও আকষ্মিক চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আইসিপি ও এলসিপিতে আমদানি-রপ্তানি কাজে ব্যবহৃত ট্রাক-লরি ও অন্যান্য যানবাহনের মাধ্যমে যেন অতিরিক্ত তেল বহন করে পাচার করতে না পারে সেজন্য যানবাহন সমূহ বিশেষ নজরদারির আওতায় রাখা হচ্ছে। বিজিবি’র এই সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট বা পাচারের অপচেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হচ্ছে, যা জনমনে আস্থা সুদৃঢ় করেছে।
এদিকে তেলের ডিপোগুলো থেকে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও পেট্রোল পাম্পগুলোতে মিলছেনা তেল। এ বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারিও লক্ষ্য করা যায়নি বলে অভিযোগ করেন ক্রেতারা।
এসময় উপস্থিত পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপোর ম্যানেজাররা উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, ডিপো থেকে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে, তবে কি কারণে পাম্প ও প্যাক পয়েন্টে তেল পাওয়া যাচ্ছেনা তা তারা জানেননা।





