এ সময় রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমরা গত ১৮ মাস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দেখেছি, কীভাবে একটার পর একটা মাজার ভাঙা হয়েছে, বাউল গানের আসরে বাধা দেয়া হয়েছে। বাউল গান যারা করেন, তাদেরকে ধরে নিয়ে হেনস্তা করা হয়েছে; জেলে দেয়া হয়েছে। আমি জানি না আর কোনো রাজনীতিবিদ প্রতিবাদ করেছে কিনা; কিন্তু আমি বলতে পারি সংখ্যা ধরে ধরে আমি প্রতিটা মাজার ভাঙার প্রতিবাদ করেছি।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘ঈদুল ফিতরের একদিন পরেও সিলেটে বাউল গানের আসরে ভাঙচুর করা হয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমি যতদিন সরাইল, আশুগঞ্জ এবং বিজযনগরের একাংশের দায়িত্বে থাকব, আমার এলাকায় ওয়াজ যেমন হবে, কীর্তন যেমন হবে, বাউল গানের আসরও হবে।’
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে লালন-পালন, ধারণ করা এবং সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের। আমাদের কৃষ্টি-সংস্কৃতি নতুন প্রজন্মকে জানানোর দায়িত্বও আমাদের। যারা বাউল গান ও মাজারের সঙ্গে যুক্ত, তারা আমাদের সংস্কৃতির একটি অংশ। সুতরাং যার যার মত, তার তার পথ। আমরা কেউ কারও মতের ওপর হস্তক্ষেপ করব না।’
আবদুল কাদির শাহ পাঠাগার আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পাঠাগারের উপদেষ্টা আতাউর রহমান বাবুল।





