পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রবের কলেজপড়ুয়া মেয়ে ও তার ভাগনীর ছবি-ভিডিও ধারণ করেন কয়েকজন যুবক। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আব্দুর রবের পরিবারের সঙ্গে ফিরোজ মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
একপর্যায়ে ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে উভয় পক্ষ দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।
আরও পড়ুন:
খবর পেয়ে গোপলার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আহতদের উদ্ধার করে বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’





