নিহত কৃষক সুধীর দাস উপজেলার চাকুয়া ইউনিয়নের চাকুয়া গ্রামের রাজেন্দ্র দাসের ছেলে।
অপরদিকে সকালে দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডীগড় ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামে আকাশ মিয়া (২৫) নামে আরও এক রাজমিস্ত্রির মৃত্যু হয়। নিহত আকাশ মিয়া আলমপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাওরাঞ্চলে বোরো ফসলের ভরা মৌসুম চলায় কৃষকরা চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন। শুক্রবার দুপুরে অন্যান্য কৃষকদের মতো সুধীর দাসও বাজন্তি হাওরে নিজের জমিতে কাজ করতে যান। এসময় হঠাৎ আকাশ মেঘলা হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। একপর্যায়ে বজ্রাঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় কৃষকরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে শুক্রবার সকালে কাজের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন রাজমিস্ত্রি আকাশ মিয়া। এসময় হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। বৃষ্টি থামলে স্থানীয়রা ধানক্ষেতে আকাশ মিয়াকে পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. তানজিরুল ইসলাম রায়হান বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। তবে নিহতের শরীরের চিহ্ন দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বজ্রপাতেই তার মৃত্যু হয়েছে।’
খালিয়াজুরী থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘সংবাদ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখা হচ্ছে।’
খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম বলেন, ‘হাওরে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে একজন কৃষকের মৃত্যুর সংবাদ আমরা পেয়েছি। নিহতের পরিবারের শেষকৃত্য সম্পন্নের জন্য সরকারিভাবে জরুরি আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’৮





