আহতরা হলেন-আটিগ্রামের সোলাইমান দেওয়ান, মুকুল হাসান, সফিকুল ইসলাম ও নজরুল ইসলাম। তারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত মুকুলের বোন নাসরিন অভিযোগ করেন, তাদের পরিবারের সঙ্গে কামরুল হাসানের চার শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। সকালে আটটার দিকে কামরুলের ছেলে আলেকজান্ডার ৩০–৪০ জন লোক নিয়ে তাদের বাড়িতে আসে। তারা দেশীয় অস্ত্র হাতে গালিগালাজ ও হুমকি দিতে থাকে। এতে আতঙ্কিত হয়ে তারা ৯৯৯-এ ফোন দেন।
আরও পড়ুন:
নাসরিনের দাবি, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর বাইরে বের হলে হামলাকারীরা তার ভাই মুকুলকে মারধর করে। এ সময় ধস্তাধস্তির মধ্যে সোলাইমান, সফিকুল ও নজরুলও আহত হন। হামলাকারীরা পুলিশের মোবাইল টানাটানি করে এবং গাড়ির চাবিও নিয়ে যায়।
অন্য আহত ব্যক্তি সফিকুল ইসলাম বলেন, নাসির উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে কামরুল হাসানের জমি নিজের দখলে রেখেছেন। আজ বিষয়টি নিয়ে তাদের বাড়িতে গেলে মুকুল, মেহেদী ও তাদের সহযোগীরা পুলিশের সামনেই হাতুড়ি দিয়ে তাকে, সোলাইমান দেওয়ান ও নজরুল ইসলামকে মারধর করে। বর্তমানে আমরা তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি নিয়ে এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।





