Recent event

সরঞ্জাম ও কর্মী সংকটে ব্যাহত হচ্ছে পাবনার মা-শিশু স্বাস্থ্যসেবা

সরঞ্জাম ও কর্মী সংকটে বন্ধ প্রায় পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার   স্বাস্থ্যসেবা
সরঞ্জাম ও কর্মী সংকটে বন্ধ প্রায় পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা | ছবি: এখন টিভি
0

প্রসূতি মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় তিনটি ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ করা হলেও সেগুলো কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। জনবল ও সরঞ্জাম সংকটে স্বাস্থ্যসেবা না পেয়ে হতাশ গ্রামাঞ্চলের মানুষ।

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাভাবিক ও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করা এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ২০১৯ সালে সাঁথিয়া উপজেলার সোনাতলা, কাশিনাথপুর ও কুমিরগাড়ী গ্রামে ১০ শয্যা বিশিষ্ট তিনটি মা ও শিশু কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ শেষ করে কেন্দ্র তিনটি হস্তান্তর করা হয় জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের কাছে। কিন্তু কেন্দ্রগুলো চালু হলেও প্রয়োজনীয় জনবল, ওষুধ ও যন্ত্রপাতির সংকটে গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মা ও শিশুরা অল্প খরচে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

দুইটি কেন্দ্রে বর্তমানে দশটি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র তিনজন করে। আর অপর একটি কেন্দ্রে কর্মরত আছেন দুইজন। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট ও পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা পদে জনবল থাকলেও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় বেশিরভাগ সময় বসেই কাটাতে হচ্ছে তাদের।

আরও পড়ুন:

লোকবল সংকট ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কেন্দ্র তিনটির একটিতে গড়ে উঠেছে মাদকসেবীদের আড্ডাস্থল। পর্যাপ্ত জনবল ও যন্ত্রপাতি না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছেন না হাসপাতালের স্টাফরা। দ্রুত জনবল নিয়োগ ও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয়রা জানান, এতো ভালো হাসপাতাল থাকার পরও চিকিৎসা সেবা পাচ্ছি না। আর এ হাসপাতালে কোনো সেবাই বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে না।

জনবল সংকটসহ সব সমস্যার কথা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে বলে জানান জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের এ কর্মকর্তা। দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে এবং গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র অসহায় মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে—এমন আশাও করেন তিনি।

পাবনা জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শরিফুল হক বলেন, ‘আশাকরি যখন এ হাসাপাতালগুলোয় জনবল দেয়া হবে এবং ওষুধ পত্রসহ সব ধরণের চিকিৎসা ইনশাআল্লাহ দিতে পারবো।’

অচিরেই মা ও শিশু কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের পাশাপাশি ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

জেআর