বিমানবন্দর সূত্র জানায়, তল্লাশির সময় তার লাগেজে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নগদ টাকা পাওয়া যায়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে টাকার বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় তাকে আটক করা হয়।
উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ নিয়ে শুরুতে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেলেও গণনা শেষে ৭৪ লাখ টাকা পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা।
আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, তিনি গার্মেন্টস ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং ব্যবসায়িক কাজেই টাকা নিয়ে যাচ্ছিলেন। তার এ বক্তব্য যাচাই–বাছাই করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
অন্যদিকে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ আটক করার ঘটনায় ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টার অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
তিনি বলেন, উদ্ধার করা অর্থ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট নয়, এটি বেলাল উদ্দিনের ব্যবসার টাকা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিথ্যা নাটক সাজিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এটা একটা সাজানো নাটক। তিনি (আমির বেলাল) তার ব্যবসার কাজে আসা যাওয়া করেন এরইমধ্যে স্পষ্ট করেছেন। ব্যাংক বন্ধ এজন্য লেনদেন করতে হয় সেটাও তিনি বলেছেন। এজন্য তার সঙ্গে কিছু নগদ টাকা ছিল। এটা খুবই স্বাভাবিক।’
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘একটা মানুষ ব্যবসা করতে পারেন, তার পরিবার বা অন্য প্রয়োজনে এটা তিনি বহন করতে পারেন। এয়ারপোর্টের মতো একটি রেসট্রিকটেড এরিয়াতে যেখানে লিমিটেড মানুষের চলাফেরা সেখানেও একটি নাটক সাজানো হয়েছে যে তিনি টাকা নিয়ে যাচ্ছেন, এটাকে একটা অর্থ করার জন্য বিভিন্ন নিউজ করানো হচ্ছে। তিনি একজন বয়স্ক লোক ও দায়িত্বশীল নেতা। এরইমধ্যে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। মেন্টাল টর্চারের জন্য তিনি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আমরা দৃড়ভাবে বলতে চাই জামায়াতে ইসলামী তাদের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রম অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে পরিচালনার চেষ্টা করে।’
তিনি বলেন, ‘জেলা আমিরের কাছ থেকে টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অন্যদিকে নেয়ার চেষ্টা চলছে। এ অর্থ নির্বাচনসংশ্লিষ্ট নয়, এটি তার ব্যক্তিগত ব্যবসার টাকা।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশের নানা জায়গায় প্রার্থী, এজেন্ট ও নেতৃবৃন্দের ওপর হামলা করা হচ্ছে। জনমনে আতংক সৃষ্টির জন্য নানাভাবে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে।’





