রাজশাহীর ছয়টি আসন থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩২ জন প্রার্থী। লিফলেট, হ্যান্ডবিল, স্টিকার, কাপড়ের ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন তারা। এতে ডিজিটাল ছাপাখানায় কাজের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ। ছাপাখানার শ্রমিকরা জানান, কিছুদিন কাজ ছিলো, কিন্তু এখন কাজ অনেটাই বাড়েছে। চাহিদার তুলনায় কাজ শেষ করতে পারছে না তারা।
রাজশাহীর প্রজাপতি ডিজিটাল অ্যান্ড ফার্মের ম্যানেজার পরিতোষ কুমার প্রামাণিক বলেন, ‘আশার তুলনায় অর্ডার অনেক বেশি হয়েছে। এখন কাজ শেষ করা নিয়ে সমস্যা হচ্ছে, দিন রাত কাজ চলছে।’
পরিবেশের কথা বিবেচনায় এ বছর কাগজের পোস্টারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কাপড়ের তৈরি ব্যানার। তবে কাগজ ও কালির দাম বেশি থাকায় প্রত্যাশিত ব্যবসা হচ্ছে না বলে অভিযোগ ছাপাখানা সংশ্লিষ্টদের।
আরও পড়ুন:
ছাপাখানা সংশ্লিষ্টরা জানান, কালি ও কাগজের দাম বাড়ায় প্রেস চালানো কষ্টকর হচ্ছে। আগের মতো আর ইনকাম হচ্ছে না।
রাজশাহী শাখা বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতি সাধারণ সম্পাদক স্বাগতম নস্কার বলেন, ‘আগে যেমন বেশি ছাপানো হতো এবার ছাপানো হয়নি। বলা যায় মুদ্রণ শিল্প পুরোই ধসে চলছে।’
রাজশাহী অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার মো.জিয়াউর রহমান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ভালো একটি উদ্যোগ নিয়েছে। প্রার্থীদের খরচ ও কম হবে, আর ডিজিটাল মাধ্যমে প্রচার করলে ভালো হয়।’
পোস্টারবিহীন নির্বাচন পরিবেশ সুরক্ষার দিক থেকে ইতিবাচক পদক্ষেপ। এর ফলে প্রার্থীদের খরচ কমার পাশাপাশি প্রচার ভালো হবে, বলছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা।





