নির্বাচন এলেই সড়কের মোড়, অলিগলি কিংবা দেয়ালজুড়ে পোস্টারের রঙিন ভিড় এটাই ছিল চেনা দৃশ্য। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নতুন আচরণবিধিতে পোস্টার নিষিদ্ধ। তাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই চিত্র আর নেই ঠাকুরগাঁওয়ে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশে স্বস্তি মিললেও বিপাকে পড়েছেন জেলার ছাপাখানা ব্যবসায়ীরা।
ঠাকুরগাঁও জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে রয়েছে ৩১টি ছাপাখানা। প্রতি নির্বাচনে পোস্টার, লিফলেট আর হ্যান্ডবিল ছাপিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাতেন মালিক-শ্রমিকরা। নির্বাচনি মৌসুমই ছিলো তাদের আয়-রোজগারের সময়। কিন্তু এবার সেই কর্মচাঞ্চল্য নেই কোথাও।
ছাপাখানার শ্রমিকরা জানান, ইলেকশন এলেই অনেক কাজ করতে হয়েছে তাদের। রাত দিন মিলিয়ে কাজ করতেন তারা। ইলেকশনে যে আয় হয় সেটি দিয়েই তারা লাভবান হতেন। তবে বর্তমানে তাদের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে বলে জানান তারা।
আরও পড়ুন:
পোস্টার নিষিদ্ধ হওয়ায় সব ছাপাখানায় এখন নীরবতা। অলস সময় পার করছেন শ্রমিকরা, আর লোকসানের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
ঠাকুরগাঁও জেলা মুদ্রণশিল্প মালিক সমিতির সভাপতি মো. সফিউল ইসলাম শফি বলেন, ‘ডিজিটাল ছাপার মেশিন ঠাকুরগাঁওয়ে না থাকার কারণে এ কাজগুলো বাহিরে থেকে করা হচ্ছে। আমরা সরবারহ করতে পারিনি তাই বাহিরে থেকেই সংগ্রহ করা হচ্ছে।’
পরিচ্ছন্ন নির্বাচন প্রক্রিয়া নিশ্চিত হলেও বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না থাকায় সংকটে পড়েছে ঠাকুরগাঁওয়ের ছাপাখানা শিল্প।





