শাহীনুল পার্শ্ববর্তী জামালপুর সদর উপজেলার রানাগাছা ইউনিয়নের টেবিরচর গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে।
আজ (শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা।
পুলিশ জানায়, প্রায় সাত মাস আগে শেরপুর সদর থানায় যোগ দেন এএসআই শাহীনুল ইসলাম। সদর থানার সামনেই রাস্তার উল্টো পাশে একটি ভাড়া বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ওঠেন তিনি। গতকাল বেলা ১১টার দিকে স্ত্রী মাকসুদা পারভীন সন্তান নিয়ে গ্রামের বাড়িতে যান। শাহীনুল দুপুর ২টার দিকে ডিউটি শেষে থানা থেকে ভাড়া বাসায় ফেরেন।
আরও পড়ুন:
তবে দুপুর পর থেকে তার স্ত্রী শাহীনুলের সঙ্গে ফোনে কোনো যোগাযোগ করতে না পরে তিনি স্বজনদের নিয়ে রাতে বাড়ি ফিরে দেখেন কক্ষ ভেতর থেকে আটকানো। পরে অনেক ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায় স্বজনদের সহযোগিতায় দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। এসময় শাহীনুলকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে থানা পুলিশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।
তার স্ত্রী মাকসুদা দাবি, শাহীনুলের কিছুটা মানসিক সমস্যা ছিল। তিনি নিয়মিত মানসিক ডাক্তার দেখাতেন এবং ওষুধ খেতেন।
এ ব্যাপারে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ শাহীনুলকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এবিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’




