আজ (সোমবার, ১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় কিশোরগঞ্জ শহরের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ মাঠে স্থাপিত জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন করতেই এ গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যারা সে সময় গণঅভ্যুত্থানের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, তারাই এখন গণভোটকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে দেশের জনগণ জুলাইয়ের কাফেলার সঙ্গেই আছে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েই জনগণ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করবে।’
তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের সরকার। সংগ্রামী ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং এ সনদ বাস্তবায়নেও সরকার জনগণকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করবে।’
আরও পড়ুন:
গণভোট পরবর্তী রাজনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আগামী ১২ তারিখের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের মাধ্যমে জনগণের সমর্থন প্রকাশ পাবে। এরপর স্থানীয় পর্যায় থেকে পছন্দমতো প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়ে ভবিষ্যৎ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন।’
উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত সচেতন ও বুদ্ধিমান। তারা ইতিহাস তৈরি করেছে এবং আবারও সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রচারণার আর মাত্র দুই দিন বাকি। এরপর সারাদেশ গণভোট, জুলাই সনদ, গণঅভ্যুত্থানের পরিবর্তন এবং জনগণের অধিকার রক্ষার পক্ষে এক কাতারে দাঁড়িয়ে যাবে।’
ফ্যাসিবাদের পক্ষে থাকা অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি জানান, অন্যরাও পলাতক অবস্থায় রয়েছে। কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সুষ্ঠু ও ভালো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা আহ্বায়ক হাফেজ ইকরাম হোসেনসহ জুলাই যোদ্ধা এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।





