ফরিদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে জলাতঙ্ক ভ্যাকসিনের আশায় প্রতিদিন ভিড় করছেন শতাধিক মানুষ। নারী-পুরুষ, শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে টিকা নিতে এলেও সরবরাহ না থাকায় ফিরতে হচ্ছে হতাশ হয়ে।
হাসপাতাল থেকে ছুটে শহরের বিভিন্ন ফার্মেসিতে গেলেও মিলছে না ভ্যাকসিন। কোথাও থাকলেও দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, হাসপাতালে এসে জানানো হয়েছে বাইরে থেকে কিনে আনতে। অথচ শহরের একাধিক ফার্মেসি ঘুরেও পাওয়া যায়নি ভ্যাকসিন। এতে আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তায় কাটছে দিন তাদের।
আরও পড়ুন:
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, দেশজুড়েই চলছে র্যাবিস ভ্যাকসিনের সংকট। হঠাৎ রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা বেড়েছে বহুগুণ, কিন্তু উৎপাদন সক্ষমতা সীমিত।
ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘পনেরো দিন হলো আমাদের সরকারিভাবে দেয়া ভ্যাকসিন শেষ হয়েছে। আমরা যেখান থেকে ভ্যাকসিনের জন্য বলে থাকি সেখানে আমাদের চাহিদা কথা জানানো হলেও প্রকিউরমেন্ট এখনো ক্লিয়ার হয় নাই। আসলে সারা দেশেই র্যাবিসের ভ্যাকসিনটা শর্টেজ আছে, যে কারণে দিতে পারছে না।’
সচেতন মহলের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়া হলে ফরিদপুরে জলাতঙ্কজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই ভ্যাকসিন সংকট নিরসনে জরুরি উদ্যোগের দাবি তাদের।





