এতে ফেনী-১ আসনে দশ প্রার্থীর মাঝে একজন স্থগিত, তিনজন বাতিল ও ছয়জনকে বৈধ ঘোষণা করা হয়। একইভাবে ফেনী-২ আসনের ১৪টি মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করে পাঁচটি মনোনয়নপত্র বাতিল ও নয়টি বৈধ ঘোষণা করা হয়। ফেনী-৩ আসনে ১১টি মনোনয়নের মাঝে চারটি বাতিল ও সাতটি গৃহীত হয়।
মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই কার্যক্রম বিশ্লেণ করে দেখা যায়, ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসনে ছয়জন প্রার্থী স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র দায়ের করেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের সকলের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
আরও পড়ুন:
এর মধ্যে ফেনী-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, ফেনী-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়াকুব নবী ভূঁইয়া মো. ইসমাইল ও এসএম হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, ফেনী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদ মাহমুদের দায়েরকৃত মনোনয়নপত্রে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর কম হওয়া এবং যথাযথ না হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়াও ফেনী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহবুবুল হক রিপনের এক শতাংশ ভোটারের সমস্যা ও ঠিকাদারি প্রকল্প চলমান থাকায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ফেনীর সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মোট ভোটারের এক পার্সেন্ট ভোটারের স্বাক্ষর মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হয়। এটি অত্যন্ত দুরূহ এবং কষ্টকর বিষয়। ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসনের সকল স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের খবরটি আসলেই দুঃখজনক বিষয়।’





