আজ (শনিবার, ৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের হলরুমে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে ভোলা-৩ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘শহীদ ওসমান হাদির কথা আপনারা সবাই জানেন। ভারত থেকে এসে ভারত থেকে অর্থ, অস্ত্র, সাহায্য সহযোগিতা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে তাকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকারীদের স্থানীয় আওয়ামী লীগের এজেন্টরাই আবার ভারতে পাচার করে দিয়েছে। সুতরাং জনমনে অনেক সন্দেহ রয়েছে। দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষদের হত্যা করে বিনা বাধায় তারা ফের ভারতে প্রবেশ করে, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করবো ভারত সরকার এ ধরনের হত্যাকারীদের ধরে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়ে দিবে। আমরা এটাও চাই, যে মাফিয়া নেত্রীর (শেখ হাসিনা) নির্দেশে বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ডগুলো চলছে তাকেও দেশে ফেরত পাঠাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনের জন্য জনগণ দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করে আছে, গত ১৬ বছর বাংলাদেশের জনগণ ভোট দিতে পারেনি। ১৬ বছর আগে যে তরুণ যুবক হয়ে ভোটার হয়েছে সে ১৬ বছর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছে স্বৈরশাসকের কারণে।’
আরও পড়ুন:
তার ভাষ্য, ‘মাফিয়া নেত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, সুতরাং জনগণ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। প্রত্যেকটি ভোটার আশান্বিত তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। এটি আমার জীবনে দশম নির্বাচন, প্রথম ছয়টিতে বিজয়ী হয়েছি, পরেরগুলোতে নিজের ভোটও দিতে পারিনি, আশা করি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠুভাবে বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশন উপহার দিতে পারবে। বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাবে।’
এসময় তিনি আরও বলেন, ‘দুঃখের বিষয় হলো, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী ও একমাত্র অভিভাবক খালেদা জিয়া লোকান্তরিত হয়েছেন এবং তার জানাজায় যে ধরনের জনসমাগম হয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসে তার কোনো নজির নেই।’
হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘দেশের জনগণ তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে বিদায় দিয়েছে, এজন্য আমরা গর্বিত। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি জনগণের ভোটে চার বার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। আশা করি এবারও জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রাখবে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য গত ১৬ বছর লড়াই করেছি,বিএনপির বহু নেতাকর্মী গুম-খুন হয়েছে।’
এ সময় তিনি ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতাও জানান।





