স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরযুক্ত তালিকায় গড়মিল পাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাজীপাড়া এলাকার কাজী আব্দুল হান্নান ভূঁইয়া ও আমেনা বেগম দম্পতির ৯ সন্তানের মধ্যে সবার বড় কাজী জাহাঙ্গীর। হলফনামায় তিনি নিজেকে কৃষক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ধান বেচাকেনা ও গাভি পালন করে তার সংসার চলে।
মনোনয়ন বাতিল প্রসঙ্গে কাজী জাহাঙ্গীর জানান, মাত্র এক শতাংশ ভোটারের সইয়ের কারণে প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে। সমর্থকরা সই সংগ্রহ করেছে, কোথাও ভুল থাকতেই পারে। কিন্তু এই নিয়মের কারণে বারবার স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও জানান, এ নিয়ে সংসদ নির্বাচনে আমি সাতবার মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি; কিন্তু প্রতিবারই এক শতাংশ ভোটারের সইয়ের নিয়মে বাতিল হয়ে যায়। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে তার দাবি, এই বৈষম্যমূলক নিয়ম বাতিল করা হোক, যাতে তার মতো সাধারণ মানুষও নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।
কাজী জাহাঙ্গীরের ভাষ্য, ‘নির্বাচন আমার কাছে একটা নেশা। মনোনয়ন বাতিল হলেও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যত নির্বাচন হবে, আমি অংশ নেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাব।’
এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। শুক্রবার যাচাই-বাছাইয়ে কাজী জাহাঙ্গীরসহ চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।





