নিলামে ছয়টি দল হলো একমি, ফরচুন, ওয়ালটন, সেভেন রিংস সিমেন্ট, সিটিজেনস ব্যাংক ও ব্লুস্টার।
আরও পড়ুন:
নিলামে সর্বোচ্চ পয়েন্ট পাওয়া শীর্ষ ক্রিকেটারগণ (Top players highest auction points D3 Trophy)
এবারের নিলামে ক্যাটাগরি-১ এর খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ ছিল জাতীয় দলের তারকা পেসার ও ব্যাটারদের ঘিরে (Highest paid cricketers D3 Trophy auction):
শরিফুল ইসলাম (Shariful Islam): বাঁহাতি এই পেসারকে পেতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর লড়াইয়ে সর্বোচ্চ ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্ট খরচ করে দলে ভিড়িয়েছে সিটিজেন ব্যাংক (Citizen Bank squad D3 Trophy)।
তাসকিন আহমেদ (Taskin Ahmed): গতি তারকা পেসার তাসকিনকে ২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্টে কিনে নিয়েছে ওয়ালটন (Walton group squad D3 Trophy)।
তানজিদ হাসান তামিম (Tanzid Hasan Tamim): ওপেনার ব্যাটার তানজিদ তামিমকে ২ কোটি পয়েন্টে দলে নিয়েছে ফরচুন গ্রুপ (Fortune group team players D3 Trophy)।
আরও পড়ুন:
ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক প্রথম ধাপের দল গঠন ও খেলোয়াড় তালিকা (Franchise-wise squad list D3 Trophy auction)
প্রথম ধাপের নিলাম শেষে বিভিন্ন দলের স্কোয়াডে যারা স্থান পেয়েছেন:
- ফরচুন গ্রুপ (Fortune Group): তানজিদ হাসান তামিম (২ কোটি পয়েন্ট), সাইফ হাসান (১ কোটি ৯৫ লাখ পয়েন্ট), নাজমুল হোসেন শান্ত (১ কোটি ৫৫ লাখ পয়েন্ট), সৌম্য সরকার (৭৫ লাখ পয়েন্ট), রিশাদ হোসেন (৬০ লাখ পয়েন্ট) এবং তাওহীদ হৃদয়।
- ওয়ালটন (Walton): তাসকিন আহমেদ (২ কোটি ১০ লাখ পয়েন্ট), লিটন দাস (১ কোটি ৫০ লাখ পয়েন্ট), মুমিনুল হক (৮০ লাখ পয়েন্ট) এবং মেহেদী হাসান মিরাজ।
- এইস ব্লু স্টার (ACE Blue Star): হাসান মাহমুদ (১ কোটি ৯০ লাখ পয়েন্ট), শেখ মেহেদী হাসান (১ কোটি ৫০ লাখ পয়েন্ট), এনামুল হক বিজয় (৯০ লাখ পয়েন্ট), নাহিদ রানা (৭৫ লাখ পয়েন্ট) এবং নুরুল হাসান সোহান।
- সেভেন রিংস সিমেন্ট (Seven Rings Cement): খালেদ আহমেদ (১ কোটি ৫০ লাখ পয়েন্ট), তাইজুল ইসলাম (৮০ লাখ পয়েন্ট), মোস্তাফিজুর রহমান (৭০ লাখ পয়েন্ট) এবং মুশফিকুর রহিম।
- সিটিজেন ব্যাংক (Citizen Bank): শরিফুল ইসলাম (২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্ট), জাকের আলী অনিক (১ কোটি ৮০ লাখ পয়েন্ট), নাইম শেখ, সাইফ হাসান ও খালেদ আহমেদ।
- একমি গ্রুপ (Akij/Acme Group): মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতসহ অন্যান্যরা।
সব মিলিয়ে ক্যাটাগরি-১ এর ১৭ জন ক্রিকেটারকে নিজেদের স্কোয়াডে যুক্ত করতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে মোট ২৩ কোটি ২৫ লাখ পয়েন্ট খরচ করতে হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:



