এছাড়া স্থানীয়দের মতে, খুলনা-বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রীর এ সফর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ, সমুদ্রবন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্য এবং শিল্প সম্ভাবনার এক অভূতপূর্ব সমন্বয়।
এ দিন সকাল সাড়ে ১০টায় আকাশপথে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও আশপাশের এলাকা পর্যবেক্ষণ করে দাকোপের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টরটি।
আরও পড়ুন:
দাকোপের মাটিতে পা রেখেই অপেক্ষমান জনতার কাছে এসে গিয়ে বলেন প্রধানমন্ত্রী। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, উপকূলীয় এ জনপদের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামগত উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ থাকবে।
পরে সফর সঙ্গীদের সঙ্গে নিয়ে দাকোপের নলিয়ান লঞ্চঘাট থেকে নৌযানে বাগেরহাটের মোংলার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর মোংলার নৌঘাটি পরিদর্শন এবং মধ্যাহ্নভোজ শেষে দুপুর ৩টায় বন্দর জেটি পরিদর্শনে যান তিনি।
সবশেষ বেজায় ইকোনমিক জোন পরিদর্শন শেষে বিকেল ৪টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। প্রকৃতির সুরক্ষা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঠিক ভারসাম্য বজায় রেখে সুন্দরবন ও মোংলা কেন্দ্রিক বিশাল বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করাই এ সফরের প্রধান লক্ষ্য হিসাবে দেখছেন স্থানীয়রা।





