বেশ কয়েক বছর ধরে ৮১ বছর বয়সী মায়ের সম্পর্কে পরোক্ষোভাবে খবর পেয়ে আসছিলেন অ্যারিস। এবার সরাসরি ফোনে যোগাযোগের সুযোগ পেয়ে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর মায়ের কণ্ঠ শুনতে পারার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’
অ্যারিস অভিযোগ করেন, তার মা সুচিকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের দাবি জানান তিনি।
সম্প্রতি সুচিকে দেয়া ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের পাঠানো দুটি বই ও একটি চিঠি পাওয়ার ছবিও প্রকাশ করে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ।





