ধূপ-ধুনোর গন্ধ, শঙ্খধ্বনি আর ঢাকের তালে মুখর মণ্ডপ থেকে মণ্ডপান্তর। দেবীপক্ষের আবাহনে বিশ্বাস, আচার আর পৌরাণিক চেতনায় মিশে থাকা উৎসবে জমে ওঠে মহাসপ্তমী।
সপ্তমীতে গণেশের পাশে কলাবউয়ের উপস্থিতি জানান দেয় পূর্ণতা পেয়েছে পার্বতীর পরিবার। পুরাণের ভাষায়— দেবীই সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের অন্তর্নিহিত শক্তি; আর ভক্তের বিশ্বাসে, তিনিই বিপদে আশ্রয়, সংকটে সাহস। তাই তো পরিবার ও দেশের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনায় মগ্ন পূণ্যার্থীরা।
মহামায়ার চরণে প্রার্থনা, অশুভের বিনাশ হোক, শুভবোধের জয় হোক, মানুষের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হোক শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণ। মহাসপ্তমীর এই সন্ধ্যা যেন আত্মসমীক্ষার আয়না, যেখানে মানুষ নিজের অন্তরের অন্ধকারকে চিনে নিয়ে আলোর পথে ফেরার শপথ নিতে পারে।
আরও পড়ুন:
রাতে বনানীর পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক বলেছেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দেশে সংখ্যালঘু নয়, সবাই দেশের নাগরিক, সবার অধিকার সমান।
ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘সামনের দিনগুলোতে আমরা একইভাবে হিন্দু-মুসলমান একসঙ্গে এগিয়ে এই দেশ গড়ার কাজে সবাইকে নিয়োজিত রাখবো। ডিএনসিসি প্রশাসক হিসেবে, আমি আপনাদের যেকোনো বিষয়ে সহযোগিতা করবো।’
তিথির কারণে সপ্তমী পালিত হবে দুইদিন, ঘরের মেয়ে উমা এবার থাকছে একটি দিন বেশি। মণ্ডপের সব আলোকছটা পেরিয়ে দু’চোখ ভরে আনন্দময়ীকে দেখতে ভিড় করছেন ভক্তরা।
মহাসপ্তমীর মূল বাণী— শক্তির আরাধনা হোক ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য, আর দেবীবন্দনা হয়ে উঠুক মানবকল্যাণের প্রেরণা। এই পুণ্যক্ষণে দেবী দুর্গার আরাধনায় মুখরিত হোক চারপাশ।





