২৭২ রানের বড় লক্ষ্যমাত্রা, দুই ওপেনারের শুরুটা যেভাবে দরকার সেই সুযোগটাও এলো নো বলের মাধ্যমে। প্রথম ৬ ওভারের ব্যাটিং দেখে উইকেটটা বেশ ব্যাটিং সহায়কই মনে হচ্ছিল তবে সপ্তম ওভারে হঠাৎ-ই ছন্দপতন।
পাওয়ার প্লে-টা বেশ ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছে বাংলাদেশ এমন ভাবনার রেশ না কাটতেই তানজিদ ফিরলেন ৪৬ রানে।
ঠিক পরের ওভারেই শান্তকে ফিরিয়ে ব্যাটিং ধসের ঈঙ্গিত দিলেন ব্রাড ইভান্স। ছন্দে থাকা শান্ত করলেন মাত্র চার রান। এরপরও সাইফ হৃদয়ের ২৯ রানের জুটি বাংলাদেশকে আশা দেখাচ্ছিলো ঘুরে দাড়ানোর।
তবে দলীয় ৯৭ রানে অধিনায়ক হৃদয়কে লেগ বিফরের ফাদে ফেলে সেই আশায় গুড়ে বালি দেন সিকান্দার রাজা। এরপর ধ্বংসস্তুপে পরিণত হওয়া বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনাপে আর কোন আশা জাগাতে পারেননি কোন মিডল অর্ডার ব্যাটার। জিম্বাবুয়ের হয়ে ৪৫ রানে সব্বোর্চ চার উইকেট নিয়েছেন অলরাউন্ডার ব্রাড ইভান্স।
আরও পড়ুন:
এর আগে টস জিতে ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। পাওয়ার প্লে-তে একাই তিন উইকেট শিকার করেন পেসার তাসকিন আহমেদ।
ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া জিম্বাবুয়ে দল হাল ছাড়েনি তখনও। চতুর্থ উইকেটে আরভিন-টেইলর জুটিতে নান্দনিক সব শটে ১৭৬ বলে আসে ১৫০ রান।
৮১ রান করে আউট হওয়ার আগে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারকে টপকে জিম্বাবুয়ের হয়ে ওয়ানডে ইতিহাসে সব্বোর্চ রান সংগ্রাহকের গরৈব অর্জন করেন টেইলর। তাকে সেঞ্চুরির আগেই ফেরান সাইফ হাসান। অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকেও উইকেটে থিতু হতে দেননি সাইফ।
৯৩ রান করা ক্রেইগ আরভিনকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে রানের লাগাম টানেন শরিফুল। তবে নমব উইকেটে মাসাকাদজা-নিউম্যানের ৩৭ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহ গড়ে জিম্বাবুয়ে।
৯৯ রানের এই পরাজয়ে বাংলাদেশ নিজেদের ব্যার্থতার পাশাপাশি অপয়া ভাবতে পারে আবুধাবির এই মাঠকেও। শেখ যায়েদ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়া শেষ চার ম্যাচের কোনটিতেই জয় পায়নি বাংলাদেশ। আফগানদের সঙ্গে সিরিজের শেষ ম্যাচে হারতে হয়েছিলো ২০০ রানের বড় ব্যবধানে।





